খুলনা, বাংলাদেশ | ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহযোগিতা ও সমর্থনের আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়
  ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মিলনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া।
  ডুমুরিয়ার রংপুর ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মিলনের অকাল মৃত্যুতে এলাকায়
  খর্নিয়ায় ব্যক্তিগত জমির ওপর জোরপূর্বক ইটের সলিং নির্মাণের অভিযোগ
  ঈদগাঁওয়ে চোলাইমদসহ তিন জনকে কারাদণ্ড 
  ঈদগাঁওতে ১৬ অক্টোবর থেকে শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হচ্ছে, প্রতীমার কাজ চলমান  নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও  ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনাপূর্ণ পরিবেশে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতনী সম্প্রদায়ের বৃহৎ ধর্মীয় শারদীয়া দুর্গোৎসব। ১৬ অক্টোবর থেকে সারাদেশের ন্যায় ঈদগাঁওতেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই উৎসব। জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ঈদগাঁও উপজেলার আওতাধীন পাঁচটি ইউনিয়নের সনা তনী সম্প্রদায়ের লোকজন শারদীয়া দুর্গোৎসব পালন করবেন ব্যাপক উৎসাহমুখর পরিবেশে। আর কয়টা দিন পার হতে না হতে বিভিন্ন মন্দিরে সাজসজ্জাসহ ডেকোরেশনের কার্যক্রম শুরু হবে বলেও এক সূত্রে জানায়। তবে কিছু মন্দিরে প্রতীমা তৈরী কাজ প্রায় শেষের দিকে, কিছুতেই প্রতীমা তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে। এদিকে ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদের হিন্দুপাড়া, বাজারের কেন্দ্রীয় কালী মন্দির, ইসলামাবাদের হিন্দুপাড়া,হরিপুর, ঈদগাঁওর পালপাড়া, চৌধুরী পাড়া,বঙ্গিম বাজার এলাকা প্রতিবছর শারদীয়া দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। সনাতনীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে নারী পুরুষ,তরুন-তরুনীরা ব্যাপক আনন্দ উল্লাসে মুখরিত হয়ে উঠে। এছাড়াও শারদীয়া দুর্গোৎসব সফল এবং স্বার্থক করতে মন্দির ভিত্তিক নানান কমিটিও গঠন করা হয়।  সূত্রে জানা যায়, এই বছর ঈদগাঁও উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে ১৭টিতে প্রতীমা পূজা ও ১২টিতে ঘট পূজা হতে যাচ্ছে।  জালালাবাদের হিন্দুপাড়ার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বিকাশ কান্তি দে জানান, প্রতীমা তৈরীর কাজ প্রায় শেষ। আর কিছুদিন পর ডেকোরেশনসহ সাজসজ্জার কাজ শুরু হবে।  ঈদগাঁও চৌধুরী পাড়ার পল্লী চিকিৎসক মিন্টু জানান,শারদীয়া দুর্গোৎসব উপলক্ষে প্রতীমা তৈরীর কাজ চলমান। তবে এখনো শুরু হয়নি সাজসজ্জাসহ সৌন্দর্য্যের কাজ।  ঈদগাঁও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাবেক মেম্বার বাবুল কান্তি দে মুঠোফোনে জানান, এবাবের দুর্গোৎসবে ঈদগাঁও উপজেলায় ১৭টি প্রতীমা পূজা, ১২টি ঘট পূজা অনুষ্ঠিত হবে। ১৬ অক্টোবর থেকে এই শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হতে যাচ্ছে।
  ঈদগাঁওতে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপও চুরির প্রবণতা বৃদ্ধি 
  ফার্নিচার পল্লীখ্যাত ঈদগাঁওর বাঁশঘাটা সড়কে ময়লা আবর্জনার ভাগাড় 
  ৭ বছরের আইনি লড়াই ও মানসিক যন্ত্রণা শেষে খালাস পেলেন খাদ্য পরিদর্শক ইলিয়াস
  খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিট প্রকল্পের আওতায় ‘পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত:

২২ বছর ধরে ভরাট হামকুড়া নদী, চার বছর ধরে পানিবন্দী বিল ডাকাতিয়ার মানুষ!ধান চাষ বন্ধ, গবাদিপশু বিক্রি—স্থায়ী সমাধানের দাবিতে সোচ্চারএলাকাবাসী

[ccfic]

জি. এম. ফিরোজ, ডুমুরিয়া (খুলনা):

নদী ভরাট, খাল দখল আর পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ—একের পর এক সংকটে বিপর্যস্ত খুলনার ডুমুরিয়ার বিল ডাকাতিয়া। প্রায় ২২ বছর ধরে হামকুড়া নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় এবং পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় গত চার বছর ধরে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বহু গ্রামের মানুষ। বন্ধ হয়ে গেছে ধান চাষ, ব্যাহত হচ্ছে মাছ চাষ; গোখাদ্যের সংকটে গবাদিপশুও বিক্রি করছেন অনেকে।স্থানীয়দের অভিযোগ, হামকুড়া নদীর বিভিন্ন অংশ দখল করে ইটভাটা, পাকা ঘরবাড়ি ও মৎস্যঘের গড়ে তোলা হয়েছে। শোলমারী গেটের সামনে পলি জমে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। কৃষ্ণনগর, বটবড়া, বারানসি, মজারঘুটা, সাড়াভিটা, রংপুর, দেড়ুলী ও কোমরাইলসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, জলাবদ্ধ এলাকায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও ওষুধও পৌঁছাচ্ছে না।২ নম্বর রঘুনাথপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সম্পাদক তারক চন্দ্র মণ্ডল বলেন, “আমরা বেশি কিছু চাই না, শুধু বিল ডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান চাই।” তিনি শলুয়া ও কালীঘাট সুইচগেট সচল রাখা এবং আপিল গেট দিয়ে খাল খনন করে ভৈরব নদীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের দাবি জানান।তরুণ সমাজসেবক ও চেয়ারম্যান প্রার্থী ডা. অনুপম মল্লিক বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি থাকলেও জলাবদ্ধতা নিরসনে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। আপিল গেট দিয়ে ভৈরব নদীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন ও জোয়ার-ভাটা চালু করা গেলে কৃষকেরা উপকৃত হবেন বলে তিনি মনে করেন।খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, বিল ডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসনে শোলমারীতে বড় পাম্প স্থাপন, মধুগ্রাম বিলে টিআরএম চালু এবং খাল কেটে আপিল গেট দিয়ে ভৈরব নদীতে পানি নিষ্কাশনের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব বাস্তবায়িত হলে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।স্থানীয়দের দাবি, আশ্বাস নয়—বিল ডাকাতিয়ার জলাবদ্ধতা নিরসন ও হামকুড়া নদী পুনরুদ্ধারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ চান তাঁরা।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT